Home » গাংনীতে সড়কগুলোয় খানাখন্দ : চরম দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

গাংনীতে সড়কগুলোয় খানাখন্দ : চরম দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

কর্তৃক Mahabobul Haque Polen
নিজস্ব প্রতিবেদক 66 ভিউ
Print Friendly, PDF & Email

মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার প্রধান সড়কগুলোর বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে বামন্দী-কাজীপুর সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে চালক ও পথচারীদের। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে রাস্তায় তৈরি হয় ছোট ছোট জলাবদ্ধতা, যা দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। রাস্তায় প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে মোটরসাইকেল, ট্রাক, নছিমন ও অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন পরিবহনকে। চালকদের অভিযোগ, গর্তে ধাক্কা খেয়ে যানবাহনের যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে, বাড়ছে মেরামতের খরচ। আর যাত্রীদের জন্য এসব রাস্তা যেন ‘দুর্ভোগের আরেক নাম’। নছিমনের চালক রেজাউল হোসেন বলেন, ‘রাস্তায় চলাচল করতে গেলে এত ঝাঁকুনি লাগে যে অনেক সময় গাড়ির যন্ত্রাংশ খুলে যায়। এতে খরচও বাড়ে, দুর্ঘটনার ঝুঁকিও থাকে।’ মোটরসাইকেল চালক রাব্বি আহমেদ রাতের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘রাতে চলাচল করতে গেলে আতঙ্কে থাকি। পানিতে ঢেকে গেলে বোঝা যায় না কোথায় গর্ত। হঠাৎ কাত হয়ে পড়লে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যায়।’ ট্রাকচালক এনামুল বলেন, ‘খানাখন্দের কারণে ট্রাক চালাতে হয় অনেক ঝুঁকি নিয়ে। যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে সব সময়।’ এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে এ অবস্থার কোনো উন্নতি হচ্ছে না। খানাখন্দে ভরা রাস্তায় সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও স্কুলগামী শিশুরা। অটোচালক বাবলু মিয়া বলেন, ‘এই রাস্তাগুলোয় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। রোগীদের হাসপাতালে নিতে গিয়ে আমরা বিপাকে পড়ি।’ স্কুলছাত্রী রিণা খাতুন জানায়, ‘প্রতিদিনই দুর্ঘটনার ভয় নিয়ে স্কুলে যেতে হয়। পরিবারের সবাই চিন্তায় থাকে।’ পথচারী মো. সজিবুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টি হলে গর্তে পানি জমে বোঝার উপায় থাকে না কোথায় খালি আর কোথায় গর্ত। এতে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। দ্রুত সড়ক মেরামতের প্রয়োজন।” এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘উপজেলার বামন্দী-কাজীপুরসহ ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো দ্রুত মেরামতের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যান্য সমস্যাও ধীরে ধীরে সমাধান করা হবে।’

রিলেটেড পোস্ট

মতামত দিন


The reCAPTCHA verification period has expired. Please reload the page.