মেহেরপুর শহরের মল্লিক পাড়ায় মাদক দিয়ে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়েরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার সকালে মল্লিক পাড়ায় আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা দাবি করেন, গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে রেহেনা খাতুনের বাড়ি থেকে যে মাদক উদ্ধার দেখানো হয়েছে, তা সাজানো এবং আসামি করা ব্যক্তিরা নির্দোষ।
সংবাদ সম্মেলনে রেহেনার বোন জানান, রেহেনা খাতুন দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে কাপড় বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এক কাঠা জমির ওপর তার বসতবাড়ি। বিবাহের প্রায় ১৫ বছর পর তার একটি সন্তান হয়। প্রসূতিকালীন খরচ মেটাতে তিনি নিজ জমির একাংশ বিক্রি করেছেন। তিনি দাবি করেন, রেহেনার বাড়ির দরজা দড়ি দিয়ে বাঁধা থাকে এবং পাড়ার মেয়েরা নিয়মিত যাতায়াত করে। কে বা কারা তার ঘরে হেরোইন রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে খবর দিয়েছে, তা তাদের জানা নেই। অভিযানের সময় রেহেনা বাড়িতে ছিলেন না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ ঘটনায় রেহেনা খাতুন ও তার ভাগ্নে চঞ্চল হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, চঞ্চল কয়েক মাস ধরে মেহেরপুরের বাইরে বসবাস করছেন। অন্যদিকে চার মাসের শিশু সন্তান নিয়ে রেহেনা গ্রেপ্তার আতঙ্কে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয়রা বলেন, রেহেনা কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং তার নামে পূর্বে কোনো অভিযোগও নেই। তার বাড়ি থেকে দুই লাখ টাকার মাদক উদ্ধারের দাবি অবিশ্বাস্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে রেহেনা ও চঞ্চলের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারেরও আহ্বান জানান বক্তারা।

