চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাতি কাটা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অবৈধ ইঞ্জিনচালিত ‘আলমসাধু’ খাবারের হোটেলের ভেতরে ঢুকে পড়েছে। সোমবার দুপুর আনুমানিক একটি দশ মিনিটের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে চালকসহ অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত যানটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জীবননগর অভিমুখে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেহেরপুর সড়ক দিয়ে একটি খালি আলমসাধু চুয়াডাঙ্গার দিকে আসছিল। হাতি কাটা (বঙ্গজ পাড়া) এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ স্টিয়ারিংয়ের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে দ্রুতগতির যানটি রাস্তার পাশের ‘মোঃ বিপুল হোসেনের হোটেল ও রেস্টুরেন্ট’-এ সজোরে ঢুকে পড়ে। প্রচণ্ড ধাক্কায় হোটেলের টিনের বেড়া, আসবাবপত্র ও মালামাল দুমড়ে-মুচড়ে যায়। পরে গাড়িটি পাশের একটি ফ্লেক্সিলোডের দোকানেও আঘাত হানে।
আহতরা হলেন—চালক মোঃ রবিন (৩০), পিতা টিপু সুলতান, গ্রাম সাধুবাড়ী; দোকানদার সাজু (৩০), পিতা মোঃ জহুরুল ইসলাম; এবং হোটেল মালিক বিপুল (৪৩), পিতা মোঃ সানোয়ার। স্থানীয়দের ভাষ্য, বিপুল সরাসরি গাড়ির আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন। সাজুর হাতেও আঘাত লেগেছে।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন এবং চুয়াডাঙ্গা সদর থানা ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাপলা তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলমসাধুটি আটক করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে অনিবন্ধিত ও ঝুঁকিপূর্ণ যান চলাচলের কারণেই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সৃষ্ট এ ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

