শুক্রবার সকালের দিকে জোড়পুকুরিয়া গ্রামে বাজারের একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে বলে মেহেরপুর-২ আসনের থেকে বিজয়ী জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হুদা জানিয়েছেন। আহতরা হলেন- জোড়পুকুরিয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী উজ্জ্বল হোসেন, মাসুদ রানা, জুয়েল রানা এবং বিএনপি কর্মী মহিবুল ইসলাম ও রিপন হোসেন। আহতদের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা বলছেন, সকালের দিকে ওই দোকানে বসে চা পান করছিলেন জামায়াত কর্মী মাসুদ রানা। এ সময় জোড়পুকুরিয়া গ্রামের বিএনপি কর্মী মহিবুল ইসলাম ও রিপন হোসেনের সঙ্গে তার সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনের ভোট নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ বেধে যায়। এক পর্যায়ে কুড়াল ও বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মাসুদ রানাকে জখম করা হয়। এ সময় উজ্জ্বল ও জুয়েল রানা ঠেকাতে গেলে তাদেরও কুপিয়ে জখম করা হয়।গাংনী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু বলেন, “নির্বাচনের দিন তেমন সংঘর্ষ ঘটনা ঘটেনি। অথচ নির্বাচনে জয়ের ৪-৬ ঘণ্টার মধ্যে জামায়াত কর্মীরা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে যে ঘটনা ঘটালো তাতেই স্পষ্ট এদের হাতে দেশ এবং নাগরিক কতটুকু নিরাপদ।”

