চুয়াডাঙ্গা জেলার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লুৎফুন নাহার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সোমবার দেশের ১১টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই প্রজ্ঞাপনের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলা প্রশাসক পদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন সূত্রে জানা গেছে, লুৎফুন নাহার আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার কারণে তিনি এখন চুয়াডাঙ্গা জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক দায়িত্বে নিযুক্ত হয়েছেন। চুয়াডাঙ্গার প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের নতুন গতি আনতে এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে আরও সমন্বয় বাড়াতে তার নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
একই প্রজ্ঞাপনে চুয়াডাঙ্গার পার্শ্ববর্তী জেলা মেহেরপুরের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শিল্পী রানী রায়। দেশের বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার জন্য এই ধরনের রদবদল নিয়মিতভাবে করা হয়।
চুয়াডাঙ্গাবাসী নতুন জেলা প্রশাসকের নিয়োগকে প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। নতুন ডিসি দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পরিকল্পিত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং জনসেবা সহজলভ্য করতে তার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
লুৎফুন নাহার দ্রুতই বর্তমান জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করে নিজ কর্মস্থলে যোগদান করবেন। তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা জেলার প্রশাসনকে আরও গতিশীল করতে এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, নতুন ডিসির নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন সাধারণ জনগণের সমস্যা দ্রুত সমাধান, সরকারি কার্যক্রম কার্যকরভাবে পরিচালনা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সমন্বয় বৃদ্ধির মাধ্যমে জেলা উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
নতুন জেলা প্রশাসকের যোগদানের মধ্য দিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বলে কর্মকর্তারা আশাবাদী। জনগণের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ, সেবা প্রদান ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে লুৎফুন নাহারের ভূমিকা জেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। নতুন প্রশাসক দ্রুত নিজের দায়িত্বভার গ্রহণ করে স্থানীয় জনগণের কল্যাণে কাজ শুরু করবেন।

